Saturday, March 29, 2025

ছাত্রদল নেতার হাত-পায়ের রগ কাটলেন বিএনপি নেতারা

আরও পড়ুন

বরিশালের বাকেরগঞ্জে মো. আসাদুল্লাহ নামে এক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে। শনিবার (০৮ মার্চ) রাত ৯টার দিকে উপজেলার নিয়ামতি বাজারের ভিআইপি মিষ্টির দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মো. আসাদুল্লাহ নিয়ামতি ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি। অভিযোগ উঠা বিএনপি নেতারা হলেন- নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সালাম মৃধা ও যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিন ফরাজী।

জানা গেছে, পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে স্থানীয় নিয়ামতি বাজার এলাকায় প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতা সালাম মৃধা ও শাহিন ফরাজীর নেতৃত্বে একদল যুবক প্রকাশ্যে কুপিয়ে আসাদুল্লাহকে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

আরও পড়ুনঃ  অচিরেই দেশে নতুন বিভাগ ঘোষণা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন ফরাজীর সঙ্গে ছাত্রদল নেতা আসাদুল্লাহর দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। প্রতিপক্ষের মামলায় ছাত্রদল নেতা আসাদুল্লাহ ইতোপূর্বে কারাভোগও করেছেন। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তন হলে স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ আরও প্রকট আকার ধারণ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টার দিকে আসাদুল্লাহ বাজারে অবস্থান করছিলেন, এমন সময় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সালাম মৃধা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন ফরাজীর নেতৃত্বে একদল যুবক এসে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। আত্মরক্ষা করতে গেলে তাকে রাস্তার ওপর ফেলেও কোপানো হয়। এক পার্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা চলে যায়। এ পুরো ঘটনাটি বাজারে উপস্থিত অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করলেও ভয়ে তাকে উদ্ধার করতে কেউ সামনে আসেনি।

আরও পড়ুনঃ  আদানির বকেয়া পরিশোধে শেখ হাসিনাকে ২০০ কোটি ডলার ঋণ দিতে চেয়েছিল ভারত

আহত ছাত্রদল নেতার স্বজনরা জানান, সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি কোপে আসাদুল্লাহর হাত এবং পায়ের রগ কেটে গেছে।

নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সালাম মৃধা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন ফরাজীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। হামলার ঘটনার পর থেকে তারা আত্মগোপনে রয়েছেন।

বাকেরগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ নিয়ে ছাত্রদল নেতাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠাই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আরও পড়ুনঃ  আসন নিয়ে দুই দলের সঙ্গে আলোচনায় এনসিপি

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারেও অভিযান শুরু হয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ